Hotel Prime Park আপনার ছুটিকে অসাধারণ করে তোলার সুযোগ

কক্সবাজার‑ভ্রমণের মাঝখানে যখন একটু নিভৃততা ও ছুটির মনোবল চাই, তখন Prime Park Hotel‑এর সঙ্গে আমার দেখা হয় এক তাজা অভিজ্ঞতার। ভ্রমণের ধক্কাধাক্কিতে একসময় প্রয়োজন হয় এমন একটা মুহূর্তের — যেখানে ঘোরাঘুরি নেই, শুধু একটু শান্ত‑বেসামাল সময়। এই হোটেলে এসে ঠিক তাই হয়েছে। প্রথম মুহূর্তেই অনুভব হয়: এখানে শুধু ঘর কিংবা বিছানা নয়, বরং একটি “ঠাহরানো” সেকেন্ড আছে।  

আমি আগেই জানতাম না হোটেল কেমন হবে, তবে রিসেপশনে ছোট হাসি, দ্রুত চেক‑ইন‑চেক‑আউট পরিষেবা দেখে মনের একটা অংশ স্থির হয়ে গিয়েছিল। কখনও কখনও ভালো হোটেল মানেই বড় বা গ্লামারাস নাও হতে পারে — বরং, ‘আপনি এখানে স্বাগত’ ভাবটি অনুভব করাই বড়। আমার ঠিক এমনই অনুভব ছিল।  
পরের দিন সকালে বের হতেই স্টাফ‑দল আমাকে এক‑দুইটা দরকারি তথ্য দিল — সময়সূচি, আশেপাশের শুভ‑চিন্তনীয় জায়গা। একটা ভালো হোটেলে থাকা মানে শুধু বিশ্রাম নয়, মনোবল পাওয়া। আর এ হোটেলে সেটিই হয়েছে। যাত্রার ক্লান্তি একটু কমিয়ে এক নতুন পর্ব শুরু করেছে।

Prime Park Hotel‑এর সঙ্গে আমার দেখা হয় এক তাজা অভিজ্ঞতার

এখানে থেকেও এতোটাই বুঝা গেছে যে হোটেলের ছোট‑খাটো বিষয়গুলো ভালোভাবে সাজানো আছে — আগত অতিথিকে শুনে নেওয়া হয়েছে, প্রয়োজনে সার্বক্ষণিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। কখনো কখনো হ্যামক বা লাউঞ্জ চেয়ারে বসে মন খোলা মনে ভাবছিলাম, ‘হ্যাঁ, আমি ঠিকই এখানে এসেছি।’  
কিন্তু তবুও সব কিছু উজ্জ্বল ছিল না। কখনো কখনো সন্ধ্যার দিকে আশেপাশের কিছু শব্দ‑আলাপ বা রাস্তাঘাটের ব্যস্ততা আমার নিভৃত মুহূর্তে একটু বিঘ্ন ঘটিয়েছে। তবে এটা মোট মন্তব্য নয় — বরং মনে করিয়ে দিয়েছে, এই শহর নিজেও জীবন্ত, শান্ত নয় এমনভাবে নিস্তব্ধ নয়। এটাও ভ্রমণের অংশ।  
হোটেলের খাবারের সার্ভিস‑দল বেশ মনোযোগী ছিল। যদিও বিশেষভাবে সাজানো থালামান নিচ্ছিলাম না, তবুও সময়মতো এসেছে, পরিচ্ছন্ন ছিল। এ ধরনের পরিষেবা যেকোনো ভ্রমণকে একটু ঘন ও অর্থবহ করে। এক প্রতিবেদন উল্লেখ করেছে: “The staff at Prime Park Hotel truly ‘went the extra mile’ … and all this in a polite and efficient manner.”

এই হোটেলে থাকার সময় একটা ব্যাপার ভালোভাবে কাজ করেছে — আপনার সময় একভাবে পার হয় না, বরং একটা নতুন ধরণের অনুভূতি তৈরি হয়। দিনের পরিকল্পনা ভাবতে ভাবতে, রাতে হেঁটে বেড়াতে যাওয়ার অভিজ্ঞতা, একটু হালকা চা‑কফি, নীরবতা সব মিলিয়ে এক ধরনের রিফ্রেশমেন্ট।  
যদি আমি এক শব্দে বলি‑ “শান্তি” — তাহলে সেখানে ছিল হোটেল‑ভিত্তিক সে শান্তি। এটা বড় না হলেও গুরুত্বপূর্ণ; কারণ ভ্রমণে দৌড়ঝাপের মাঝেই এমন একটা ঠাঁই পাওয়া দুষ্কর হয়। আর এখানে পাওয়া গেছে।
 এই পোস্টের প্রথম অংশে বলেছি কী কারণে এখানে এসে আমার মনের এক টুকরো অংশ আবার খুলে গেছে। এখন পরবর্তী অংশে বলবো — কেন আবার এখানে ফিরে আসার ইচ্ছে হবে, এবং একটু সতর্কতা‑টিপস যা আপনার জন্য কাজ করবে।  

প্রিয় অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীরা, এই নভেম্বর মাসে Family Retreat Package কক্সবাজার ভ্রমণে আপনার সব ঝামেলা কমিয়ে আপনাকে করবে একটা চমৎকার vacation এর জন্যে absolutely ready, আর আপনার family members অথবা group of friends দের করবে 100% satisfied ! 

2 night/3 day এর প্যাকেজটিতে included আছে : 

১. Superior Premium Room এ ৪ জনের 2 Night/3 day এর stay
২. ৪ জনের জন্য Everyday Buffet Breakfast (Upto 25 items)
৩. ৪ জনের জন্য একটি Cox’s Bazar এর Local Cuisines এর সমন্বয়ে চমৎকার Lunch
৪. চার জনের জন্য একটি Seafood/ Native cuisines এর সমন্বয়ে দারুণ একটি dinner 
৫. Fruit Basket
৬. Complimentary Airport/Bus station Pickup/Drop

সহ আমাদের সকল complimentary services 

ফ্যামিলি রিট্রিট প্যাকেজটি বুক করে কক্সবাজারে কাটান পরিবার অথবা বন্ধুদের নিয়ে সবচাইতে দারুণ একটি সময়,  নিশ্চিন্তে বাকিসব চিন্তা আমাদের ওপর ছেড়ে দিয়ে ! 
ফুরিয়ে যাবার আগেই বুক করুন আপনার package...

কক্সবাজারে একমাত্র Hotel Prime Park দিচ্ছি — ফ্রি রেলওয়ে স্টেশন পিকআপ ও ড্রপ সুবিধা!
চলে আসুন কক্সবাজারে — নীল সমুদ্র, সবুজ পাহাড় আর হিমশীতল ঝর্ণার স্পর্শে ফিরে পান প্রশান্তি আর নতুন প্রাণ! হোটেল প্রাইম পার্ক দিচ্ছে আপনার ছুটিকে আরও অসাধারণ করে তোলার সুযোগ !

প্রতিটি রুমের সাথে থাকছে ১৫/২০ আইটেমের বুফে ব্রেকফাস্ট, ফ্রুট বাস্কেট, টি/কফি সেটআপ, দ্রুতগতির ওয়াইফাই ইন্টারনেট সহ আমাদের সব এক্সক্লুসিভ সিগনেচার সার্ভিস, সাথে পাচ্ছেন বিশাল ৪০% ছাড় — সব রুমে (রবি-বৃহস্পতি)।

এছাড়াও থাকছে:
✅ Complimentary রেলওয়ে স্টেশন/এয়ারপোর্ট/বাস স্টেশন পিকআপ ও ড্রপ
✅ আধুনিক, আরামদায়ক থাকার ব্যবস্থা
✅ বিচ থেকে হাঁটাপথ দূরত্বে — কলাতলী হোটেল মোটেল জোন,


যখন সব কথা বলা হয়ে গেছে — “আসলে আপনার এখান থেকে কি পাবেন?” — তাহলে উত্তর হতে পারে: ফিরে আসার ইচ্ছা। Prime Park Hotel‑এর অভিজ্ঞতা এমন এক জায়গায় পৌঁছেছে যেখানে আপনি ফিরে তাকিয়ে ভাববেন, ‘হ্যাঁ, আমি ঠিক করেছি’। এখানে বারবার না হলেও এক‑দু’দিন থাকলে তা মনে পরবে।  

ভ্রমণের মান দেখা যায় শুধু কত‑খানি ব্যয় করা হলো, তার চেয়ে বেশিরভাগ সময় হয় কত‑খানি শান্তি বা পুনরুজ্জীবন পাওয়া যায়। এখানে আমি ঠিক সেই অনুভূতি পেয়েছি। হোটেলের স্টাফরা শুধু দায়িত্ব পালন করেনি, বরং অতিথিকে ‘আন্তরিক’ ভাবেই স্বাগত জানিয়েছে। যেমন একজন অতিথি লিখেছে: “A nice hotel with amazing customer service. … Glad that we stayed here.”   
তবে সবকিছু সুনির্দিষ্টভাবে নিখুঁত ছিল না। যেমন এক অতিথি মন্তব্য করেছেন: “The major issue for the hotel is its location … open drainage … and noisy neighbourhood.”   এই ধরনের চ্যালেঞ্জগুলো ভুলে যাবার উপায় আছে — হোটেলে থাকাকালীন আপনার মন ঠিক রেখে দিন, ‘আমি একজন ভ্রমণকারী’ ভাবনায় নিজেকে ফোকাস করুন।  
এই হোটেলে থাকলে আমি কয়েকটি টিপস দিতে চাই —  
- আগেই স্টাফদের বলুন‑ আপনার মানসিক শান্তি চাইলে বড় রুম বা একটু উপরে ফ্লোর নির্বাচন করুন।
সন্ধ্যায় চা‑কফির সময়‑ঝামেলা মেটাতে লাউঞ্জ বা চিলআউট স্পেস বেছে নিন।  
- কখনও কখনও বাইরে হাওয়া নেওয়ার জন্য হোটেল কিছু জায়গা সাজিয়েছে — একটু হাঁটা‑পথে বেরিয়ে আসুন।  
এইগুলো আপনার অভিজ্ঞতাকে আরও মধুর করবে।  

সারাংশে বললে — Prime Park Hotel‑এ থাকার অভিজ্ঞতা এমন ছিল যে, আপনি অনেকটা ‘ভ্রমণ থামিয়ে রেখে’ কিছুটা ‘বিশ্রাম আর মনস্তাপ শান্ত’ শুরু করবেন। যদি আপনি কক্সবাজারে যান, এবং হঠাৎ সিদ্ধান্তে একটা হোটেল বেছে নিতে চান যেখানে অনেক বেশি অ্যান্ডারশ্যক কিছু না ভাবতেই হয় — তাহলে এটি এক যুক্তিসঙ্গত পছন্দ।  
ভ্রমণ মানে ঘোরাঘুরি নয় শুধু — এটা হয় হৃদয় খুলে নেওয়া, নিজেকে একটু খুঁজে পাওয়া। Prime Park Hotel‑এ সেটাই হয়েছে। নতুন দিনের সূর্য‑রশ্মি, একটা ভালো চা‑কফি, একটু ষোলচাকা ভ্রমণ শেষে আড় দেওয়ার সময় — এসব মিলিয়ে এখানে থাকা গিয়ে স্মৃতিতে জায়গা করে নেবে।  
অতএব — আপনার কক্সবাজারের পরবর্তী ছুটি পরিকল্পনায় থাকলে, এই হোটেলের নাম তালিকায় রাখুন। হয়তো আপনি ফিরে আসবেন এক শান্ত অনুভূতির সঙ্গে, এবং বলবেন: “ঠিক করেছিলাম — এখানে এসেছিলাম।”  

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.