ম্যানগ্রো ভ্যালি সুন্দরবন ইকো রিসোর্ট

বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম কোণে ছড়িয়ে দেওয়া রয়েছে এক বিশাল স্বর্গরাজ্য—Sundarbans, পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বনভূমির এক অংশ, যেখানে জৈববৈচিত্র্যের ভাণ্ডার, জলের নান্দনিক চলাচল এবং বনের গহীনে উঁচু গাছের ছায়ায় এক অনন‌্য অনুভূতির জন্ম হয়। আর ঠিক এই বনভূমির সামনে গড়ে উঠেছে ম্যানগ্রোভ ভ্যালি—সুন্দরবন ইকো রিসোর্ট, যাকে বলা যায় প্রকৃতির সঙ্গে একান্তে থাকার চমৎকার ঠিকানা।  

শহরের শব্দ আর ধুলোর ক্লান্তি থেকে একটু সুপ্ত হাওয়ার খোঁজে বেরিয়ে পড়লে ম্যানগ্রোভ ভ্যালি আপনার জন্য অপেক্ষায় রয়েছে। গাছপালা ঘেরা নীরব নদীর তীর, বাঁশঝাড়ের মাঝ দিয়ে ট্রেইল, ঝিরঝির পানি আর পাখির কোলাহলে জানিয়ে দেয়—এখানে বয়ে চলছে এক আলাদা জীবনের ছন্দ। এই রিসোর্ট শুধু থাকা নয়, এটা এক অভিজ্ঞতা—যেখানে আপনি প্রকৃতিকে অনুভব করবেন, বর্তমান থেকে একটু দূরে হবেন, আর এমন জায়গায় পৌঁছাবেন যেখানে সময় যেন থেমে গেছে।
ম্যানগ্রোভ ভ্যালির কটেজগুলো নির্মিত হয়েছে পরিবেশ‑সংবেদনশীল উপায়ে—বাঁশ, কাঠ ও স্থানীয় উপাদানে, যাতে টেকসই ও আরামদায়ক অবকাশ তৈরি হয়। কটেজগুলোর জানালা খুললেই সামনে দেখা মিলবে ম্যানগ্রোভ গাছের রূদ্রমণ্ডিত শিকড়, দিন শেষে সেইসব ট্রেইল ধরে হেঁটে যেতে পারবেন নদীর ধারে। এখানে রয়েছে গাইডেড বোট সাফারি, সাইক্লিং ট্রেইল, বার্ড ওয়াচিং ও রাতে ওপেন‑এয়ার ফায়ার সেশন—সব মিলিয়ে ভ্রমণকেই হয়ে ওঠে ‘বনের গল্প’ বলার মতো।  

যদি আপনি চান এক‑নিরিবিলি ছুটি, যেখানে ঘড়ির কাঁটার ডাক নয় বরং জোয়ার‑ভাটার ছন্দ শুনবেন, ম্যানগ্রোভ ভ্যালি সেই সুযোগটি প্রদান করে। ঢাকার ভিড়ে থেকে দ্রুত বেরিয়ে আসুন, খুলনায় পৌঁছান, তারপর নদী বা সড়ক পথে রিসোর্টে যাওয়া হয়—আর শুরু হয়ে যাবে এক সার্থক ভ্রমণ যাত্রা।

eco resort Sundarbans”, “Mangrove Valley Sundarban”, “Sundarbans eco resort booking”, “stay near Sundarbans Bangladesh

সুন্দরবনের কোলে একরাতের রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতার সাক্ষী হোন!🐅🌳 
🌳ম্যানগ্রোভ ভ্যালি- সুন্দরবন ইকো রিসোর্টের গরমের স্পেশাল প্যাকেজ - মাত্র ২২৯০/-টাকা থেকে শুরু

👌🏽এক রুমে ৮/১৬ জন, স্পেশাল অফার মাত্র ২২৯০/-(সীমিত সময়ের জন্য)

♣️এক রুমে ৬/৮ জন, খরচ: (জনপ্রতি) ইকোনোমি: ২৯৯০/-টাকা।প্রিমিয়াম -৩৫০০/-
♣️এক রুমে ৪/৬ জন। খরচ(জনপ্রতি)ইকোনোমি : ৩৪৯০/-টাকা।প্রিমিয়াম :৪০০০/-
♣️এক রুমে ২ জন। খরচ (জনপ্রতি)ইকোনোমি : ৪৯৯০/-টাকা।প্রিমিয়াম:৫৯৯৯০/-
♣️ইকোনোমি রুমে একা থাকলে ৫২০০ টাকা।
♣️প্রিমিয়াম রুমে একা থাকলে ৭০০০ টাকা।
♣️ডুপ্লেক্স কটেজে ১২ জন থাকলে খরচ (জনপ্রতি) :ইকোনোমি-২৮০০/-
প্রিমিয়াম -৩৫০০/-
♣️ডুপ্লেক্স কটেজে ১০ জন।(জনপ্রতি):ইকোনোমি-৩৩০০/-প্রিমিয়াম -৪০০০/-
♣️ডুপ্লেক্স কটেজে ৮ জন। খরচ:(জনপ্রতি) ইকোনোমি: ৩৯০০/-প্রিমিয়াম ৪৫০০/-
♣️ডুপ্লেক্স কটেজে ৬ জন। খরচ (জনপ্রতি):ইকোনোমি  ৪৩০০/-প্রিমিয়াম ৫০০০/-
♣️ডুপ্লেক্স কটেজে ৪ জন খরচ (জনপ্রতি): ইকোনোমি  ৫০০০/-প্রিমিয়াম -৬৫০০/-
♣️ডুপ্লেক্স কটেজে একা থাকতে চাইলে ১০০০০/-
♣️রাউন্ড কটেজে ৬ জন থাকলে জনপ্রতি খরচ: ইকোনোমি-২৮০০/-প্রিমিয়াম -৩২০০/-
♣️রাউন্ড কটেজে ৫ জন। খরচ (জনপ্রতি) :ইকোনোমি ৩০০০/- প্রিমিয়াম ৩৫০০/-
♣️রাউন্ড কটেজে ৪ জন।খরচ (জনপ্রতি):ইকোনোমি ৩৩০০/- প্রিমিয়াম -৩৭০০/-
♣️রাউন্ড কটেজে ৩ জন। খরচ (জন প্রতি) : ইকোনোমি ৪০০০/-প্রিমিয়াম-৪৫০০/- 
♣️রাউন্ড কটেজে ২ জন। (জনপ্রতি) : ইকোনোমি ৪৫০০/-প্রিমিয়াম ৫৫০০/-
♣️রাউন্ড কটেজে একা থাকতে চাইলে ১০০০০/-

♣️প্যাকেজে অন্তর্ভুক্ত যা যা থাকবে : 
🛥️দুপুর ১১:৩০ এ মংলা থেকে রিসোর্ট এ আসার শেয়ারিং বোটের খরচ।
🛖ম্যানগ্রোভ ভ্যালি রিসোর্টে ১ রাত থাকার খরচ। ওয়েলকাম ড্রিঙ্কস +লাঞ্চ +সন্ধ্যায় স্নাক্স + ডিনার +বুফে ব্রেকফাস্ট..... এই ৪ বেলা খাবার খরচ।
🛶ডিঙি নৌকায় ১/২ঘন্টা ভ্রমণের খরচ।
🌅সকাল ১১ টায় চেক-আউট করে, বোটে করে রিসোর্ট থেকে করমজল ঘুরে আবার মংলা যাওয়ার শেয়ারিং বোটের খরচ। 

ম্যানগ্রোভ ভ্যালি—সুন্দরবন ইকো রিসোর্টে কাটানো একটি সময় কেবল না হলেও, সেটি যে অনুভবের সংগ্রহশালা হবে, তা নিশ্চিত। নদীর মৃদু স্রোতের শোর, গাছের পাতা রগর‑রগর শব্দ, দিগন্তজুড়ে সবুজ—সবকিছুর মাঝেই আপনি হারিয়ে যেতে পারবেন। এখানে আপনি পাবেন শান্তি, সংযোগ, এবং প্রকৃতির সঙ্গে এক রূপকথার মতো মিলন।  

রিসোর্ট‑ভ্রমণ মানেই নয় শুধু আরামদায়ক ঘুম ও সুস্বাদু খাবার, বরং এটি একটি সচেতন অভিজ্ঞতা যেখানে টেকসই পর্যটন ও স্থানীয় সম্প্রদায়ের সঙ্গে সংমিশ্রণ ঘটেছে। ম্যানগ্রোভ ভ্যালিতে ‌সবকিছু এমনভাবে সাজানো হয়েছে যে বিশ্রাম দ্রুত হয়, মন ভালো হয়, আর ফিরে আসলে শহরের হট্টগোল আর ক্লান্তি যেন শুধুই একটি স্মৃতি হয়ে থাকে।
আপনি যদি গাড়ি, বাস বা ট্রেনে খুলনায় পৌঁছান, তারপর নদীপথ পার হয়ে রিসোর্টে আসা—সব মিলিয়ে যাত্রা হয় আনন্দদায়ক আর নির্ভরযোগ্য। বিশেষ করে যারা পরিবার, বন্ধু বা সঙ্গীর সঙ্গে একান্তে সময় কাটাতে চান, তারা এখানে নিয়ে যেতে পারেন মল্টি‑ডে ভ্রমণ, দুপুরের পরে ট্রেইলে বেরোনো, সন্ধ্যায় ফায়ারসাইড গল্প বলা, এবং ভোরে নদীমুখে হাঁটা।  
তো এখনই সময়—সরিয়ে ফেলুন মন থেকে ক্লান্তি, তুলুন ব্যাগ, বুকিং করুন ম্যানগ্রোভ ভ্যালিতে এবং বেরিয়ে পড়ুন এক অনন্য অভিযানে—“যেখানে ম্যানগ্রোভ ঠোঁটে যখন হাওয়ার দোলা বলে ওঠে, তখন আপনি জানবেন অরণ্যের পণবীথিতে এসে পড়েছেন।” এই রিসোর্ট আপনার জন্য অপেক্ষায় রয়েছে। আজই লিখুন আপনার অ্যাডভেঞ্চার, তৈরী হয়ে যান প্রকৃতির সঙ্গে নতুন পরিচয়ে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.