কক্সবাজারে সমুদ্রসৈকতের ধারে হোটেল‑রিসোর্ট বেছে নেওয়া মানে শুধু থাকার জায়গা নয়—এটা আপনার পুরো ছুটিকে স্মরণীয় করে তোলে। এই ক্ষেত্রে Mermaid Baywatch Resort একটি আকর্ষণীয় নাম। কলাতলী বা সুগন্ধা পয়েন্ট এলাকায় অবস্থিত এই হোটেলটি সমুদ্রপ্রেমীদের জন্য সঠিক বিকল্প হতে পারে। এখানে আমরা এই রেসর্টের অবস্থান, যাত্রাপথ, রুম কোয়ালিটি, ভাড়া, সুবিধা এবং কি কি খেয়াল রাখার বিষয় রয়েছে—সবকিছু বিশ্লেষণ করব যাতে আপনি বুকিং সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় স্পষ্ট ধারণা পেতে পারেন।
সবার মুখে ফুটুক প্রশান্তির হাসি, হৃদয়ে থাকুক অফুরন্ত সুখ ও ভালোবাসা। ব্যস্ত জীবনের ক্লান্তি ভুলে, ছুটিতে কাটিয়ে আসুন স্বপ্নের মতো কিছু মুহূর্ত, কক্সবাজারের অপরূপ সৌন্দর্যের মাঝে।
বন্ধু-বান্ধব বা পরিবার নিয়ে চলে আসুন Mermaid Baywatch Resort -এ, স্বাচ্ছন্দ্য আর বিলাসিতার অনন্য অভিজ্ঞতা অপেক্ষা করছে আপনার জন্য।
- আরামদায়ক ও বিলাসবহুল রুম
- ২৪/৭ লিফট ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সুবিধা
- ওয়াইফাই ও নিরাপদ পার্কিং
- ব্রেকফাস্ট
আমাদের রুম সমূহঃ
1. ডিলাক্স কাপল রুম (দুই জন থাকার একটি কিং সাইজ বেড)
2. ডিলাক্স টুইন বেড (তিন জন থাকার একটি কিং সাইজ ও একটি সিংগেল বেড)
3. ডিলাক্স টুইন বেড (চার জন থাকার দুটি কিং সাইজ বেড কানেক্টিং দুই রুম)
4. ডিলাক্স (কানেক্টিং) ৫ জন থাকার ২টি কিং সাইজ বেড ১টি সিংগেল বেড আলাদা রুম ২টি
বুকিং ও বিস্তারিত জানতে কল করুন:
01815-586848
01718-483379
01815-585879
অবস্থান ও যাত্রাপথ Mermaid Baywatch Resort অবস্থিত Block #A, Plot #17, Kalatali Main Road, Cox’s Bazar। এই হোটেলটি সুগন্ধা সৈকত থেকে মাত্র কয়েক মিনিটের হাঁটার পথেই এবং লাবণি বিচ থেকেও খুব বেশ দূরে নয়।
ঢাকা থেকে কক্সবাজার যাওয়া সাধারণত বাস বা ট্রেনে হয়ে থাকে, যেমন ঘন্টার পর ঘণ্টা বাস যাত্রীবাহিত হয় গাবতলী থেকে। এরপর কক্সবাজার সড়ক বা বিমানবন্দর থেকে স্থানীয় ট্যাক্সি বা ভ্যান দিয়ে Kalatali এলাকায় পৌঁছানো যায়। হোটেলে পৌঁছানোর পর আপনি সমুদ্র ঘণ্টার ধ্বনি, সৈকতের বাতাস ও সমুদ্র‑হাওয়ার সংস্পর্শে চলে আসবেন—একদম ছুটি মুডে।
রুম কোয়ালিটি ও সুবিধাসমূহএই হোটেলের রুমগুলোর মধ্যে রয়েছে “Deluxe Double Room, Balcony, City View”, “Deluxe Triple Room, Balcony, City View” ও “Deluxe Studio Suite, Balcony, City View” ইত্যাদি। প্রতিটিতেই রয়েছে ব্যালকনি, হট/কোল্ড ওয়াটার, ওয়াইফাই, দৈনন্দিন হাউসকিপিং—আর কিছু রুমে সমুদ্র‑দৃশ্যও পাওয়া যায়।
রিভিউ থেকে জানা যায়:
“Rooms were clean, hygienic and big. Staff was amazing.”
এটি বোঝায়—হোটেল রুম পরিষ্কার ও আরামদায়ক, স্টাফ‑সেবা মোটামুটি সন্তোষজনক।
তবে একাধিক মন্তব্যে বলা হয়েছে—“City View” রুমে থাকলে সমুদ্র দৃশ্য নাও পাওয়া যেতে পারে, তাই সি‑ভিউ নিশ্চিত করতে বুকিংয়ের সময় “sea view” বা “beach facing” ব্যালকনি থাকছে কিনা জেনে দেয়া ভালো।
ভাড়া ও মূল্যমান বর্তমানে অনলাইন বুকিং প্ল্যাটফর্ম অনুযায়ী Deluxe রুমের রেট ভারতীয় রুপিতে ₹2,887 থেকে শুরু হয়েছে (বাংলা টাকায় আনুমানিক ≈ ৳৩,৫০০+)। এখানে উল্লেখ রয়েছে, রুম ভাড়া ভেদে বাড়তে পারে।
বাংলাদেশি টাকায় বলতে গেলে, অফ‑সিজন সময় সাধারণত BDT ৪,০০০‑৫,০০০ রেঞ্জ থেকে শুরু হতে পারে, এবং সিজন বা ছুটিতে এই রেট অনেকটা বাড়তে পারে। বলাই ভালো—বাজেট ঠিক করে আগেভাগেই রেজার্ভেশন করা উত্তম।
সুবিধা ও ভালো দিক - হোটেল সমুদ্র এবং লাবণি সৈকতের কাছে; তাই সৈকতে দ্রুত যাওয়া‑আসা
- ফ্রি ওয়াইফাই, ফ্রি পার্কিং, রেস্তোরাঁ ও সকালের নাস্তা অন্তর্ভুক্ত আছে।
- রুমে ব্যালকনি থাকলে সন্ধ্যার সমুদ্র হাওয়া আর সূর্যাস্ত ভিউ একদম উপভোগযোগ্য।
- মাঝারি বাজেটের মধ্যেও ভালো সুবিধা মিলছে।
কিছু খেয়াল রাখার বিষয় - কিছু রুমে “City View” লেখা থাকলেও সমুদ্র দৃশ্য নেই—“Sea View” ব্যালকনি স্পষ্ট‑করণ না থাকলে ভুল হবে।
- খাবার বা রেস্তোরাঁর সার্ভিস‑মান সবসময় শীর্ষ পর্যায়ে নয়—রিভিউতে এ বিষয়ে কিছু নেতিবাচক মন্তব্য আছে।
- জনপ্রিয় ছুটি সময়ে রেট দ্রুত বাড়ে, তাই আগেভাগেই বুকিং ও রেট চেক করা জরুরি।
- হোটেলটি মূল সৈকতে খুব দূরে নয়, তবে “সরাসরি বিচ ফ্রন্ট” বলেই ভুল করবেন না—রুম ও অবস্থান অনুযায়ী বিচ চেহারা ভিন্ন হতে পারে।
কক্সবাজারে অতিথি‑হাউস বা হোটেল খোঁজার সময় যদি আপনি সমুদ্রের নিকটবর্তী থাকার অভিজ্ঞতা*, বাজেট‑সচেতন রেট ও সুবিধাসম্পন্ন রুম চান, তাহলে Mermaid Baywatch Resort একটি ভালো পছন্দ। রুম কোয়ালিটি, অবস্থান ও সুবিধা মিলিয়ে এটি ব্যাংগনেটর পর্যটক বা ছোট পরিবারদের জন্য উপযোগী। তবে সঠিক রুম টাইপ ও বুকিং কনফার্মেশন নিশ্চিত করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ—কি ভিউ পাচ্ছেন, খাবার‑সার্ভিস কতটুকু ভালো ইত্যাদি জানতে আগে‑থেকে বিস্তারিত যাচাই করুন।
আপনার কক্সবাজার গিয়ে থাকুন স্মরণীয়ভাবে—Mermaid Baywatch Resort এক রাত কাটিয়ে দেখুন, সমুদ্রের হাওয়া আর বিকেলবেলা লাল আকাশের ব্যালকনিতে বসে তুলি মনে রাখার মতো মুহূর্ত। শুভ ভ্রমণ!

