​পাহাড়ে গেলে অনুমতি লাগে কোথায়? পার্বত্য চট্টগ্রামে ভ্রমণের আইনি ও প্রশাসনিক নির্দেশিকা

বাংলাদেশের তিন পার্বত্য জেলা—রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি এবং বান্দরবান—প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এক অফুরন্ত ভাণ্ডার। কিন্তু ভৌগোলিক অবস্থান, ভূ-রাজনৈতিক সংবেদনশীলতা

বাংলাদেশের তিন পার্বত্য জেলা—রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি এবং বান্দরবান—প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এক অফুরন্ত ভাণ্ডার। কিন্তু ভৌগোলিক অবস্থান, ভূ-রাজনৈতিক সংবেদনশীলতা এবং স্থানীয় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই এলাকাগুলোতে ভ্রমণের ক্ষেত্রে সরকারের কিছু সুনির্দিষ্ট নিয়মাবলী রয়েছে। বিশেষ করে যারা প্রথমবার পাহাড়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন, তাদের মনে একটি সাধারণ প্রশ্ন সবসময় ঘোরে—"পাহাড়ে গেলে অনুমতি লাগে কোথায়?" এই প্রশ্নের উত্তর না জানা থাকলে আপনার পুরো ট্যুরটি মাটি হয়ে যেতে পারে। ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, একবার বান্দরবানের রুমা বাজারে পৌঁছানোর পর আমরা জানতে পারি যে ওই নির্দিষ্ট সময়ে বগালেক ও কেওক্রাডং যাওয়ার জন্য বিশেষ আর্মি পারমিশন প্রয়োজন ছিল, যা আমাদের কাছে ছিল না। ফলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে এবং বিভিন্ন তথ্য প্রদান করে আমাদের অনুমতি সংগ্রহ করতে হয়েছিল। এই অভিজ্ঞতা আমাকে শিখিয়েছে যে পাহাড় ভ্রমণ মানে কেবল ব্যাকপ্যাক কাঁধে নেওয়া নয়, বরং প্রশাসনের সাথে সমন্বয় করে চলা।

​পার্বত্য চট্টগ্রামে পর্যটকদের নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, পুলিশ এবং বিজিবি। তাই আপনি যখন সমতল থেকে পাহাড়ি জনপদে প্রবেশ করেন, তখন প্রতিটি বড় মোড়ে বা চেকপোস্টে আপনাকে নাম নিবন্ধন করতে হবে। এটি কোনো বাধা নয়, বরং আপনার নিজের নিরাপত্তার জন্যই তৈরি করা একটি ব্যবস্থা। পাহাড়ে অনেক সময় অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা বা আবহাওয়াগত বিপর্যয় থাকে, তাই আপনি কোথায় যাচ্ছেন এবং কখন ফিরবেন—এই তথ্যগুলো প্রশাসনের কাছে থাকা জরুরি। খাগড়াছড়ির সাজেক ভ্যালি যাওয়ার পথে বাঘাইহাট আর্মি ক্যাম্প থেকে যে এসকর্ট ব্যবস্থা নেওয়া হয়, তা অনুমতি প্রক্রিয়ারই একটি অংশ। আবার বান্দরবানের নাফাকুম বা অমিয়াখুমের মতো দুর্গম ট্রেইলে যেতে হলে আপনাকে স্থানীয় থানা বা আর্মি ক্যাম্পে রিপোর্ট করতে হবে। অনুমতি ছাড়া এসব এলাকায় প্রবেশ করা কেবল আইনত দণ্ডনীয় নয়, বরং অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।

​পাহাড়ে অনুমতির প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রসমূহ

​বিদেশি পর্যটকদের ক্ষেত্রে এই নিয়ম আরও কড়াকড়ি। তাদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে আগেভাগে অনুমতি নিতে হয় এবং পার্বত্য এলাকায় প্রবেশের সময় পাসপোর্টের কপি ও ভিসা সংক্রান্ত তথ্য জমা দিতে হয়। দেশি পর্যটকদের জন্য জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) বা জন্ম নিবন্ধনের ফটোকপি সাথে রাখা বাধ্যতামূলক। পাহাড় ভ্রমণে অনুমতি প্রক্রিয়ার সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে থাকে 'গাইড' নিয়োগের বিষয়টি। বিশেষ করে বান্দরবানের রুমা বা থানচি থেকে আপনি যখনই কোনো দুর্গম ট্রেইলে যাবেন, আপনাকে গাইড সমিতি থেকে একজন নিবন্ধিত গাইড নিতেই হবে। এই গাইডের মাধ্যমেই মূলত প্রশাসনিক অনুমতির কাজগুলো সম্পন্ন হয়। গাইড ছাড়া পাহাড়ে প্রবেশ করলে আর্মি বা বিজিবি চেকপোস্টে আপনাকে আটকে দেওয়া হবে। আমরা আলোচনা করব বান্দরবান, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ির কোন কোন পয়েন্টে আপনাকে নাম লেখাতে হবে, কোন এলাকাগুলো পর্যটকদের জন্য নিষিদ্ধ এবং কীভাবে খুব সহজে আপনি প্রয়োজনীয় পারমিশন সংগ্রহ করতে পারেন। পাহাড়ের বাঁকে বাঁকে লুকিয়ে থাকা মেঘ আর ঝরনার শব্দ শোনার আগে প্রশাসনিক প্রস্তুতির এই ধাপগুলো সম্পন্ন করা আপনার জন্য অপরিহার্য। চলুন বিস্তারিতভাবে জেনে নেওয়া যাক, বাংলাদেশের মানচিত্রের সেই সবুজ পাহাড়ে আপনার অবাধ যাতায়াতের চাবিকাঠি কোথায় লুকিয়ে আছে।

​পাহাড়ে অনুমতির প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রসমূহ: জেলাভিত্তিক গাইড

​১. বান্দরবান জেলা (সবচেয়ে সংবেদনশীল এলাকা)

​বান্দরবানের রুমা ও থানচি উপজেলা অত্যন্ত দুর্গম ও সীমান্তঘেঁষা হওয়ায় এখানে অনুমতির বাধ্যবাধকতা সবচেয়ে বেশি।

  • রুমা বাজার ও বগালেক: বগালেক বা কেওক্রাডং যেতে হলে রুমা আর্মি ক্যাম্পে এনআইডি কার্ডের কপি জমা দিয়ে নাম নিবন্ধন করতে হয়।
  • থানচি ও নাফাকুম: রেমাক্রি বা নাফাকুম যাওয়ার জন্য থানচি বিজিবি ক্যাম্প এবং থানায় রিপোর্ট করা বাধ্যতামূলক। এখানে গাইড ছাড়া যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

​২. খাগড়াছড়ি ও সাজেক ভ্যালি

​সাজেক ভ্যালি রাঙামাটি জেলায় অবস্থিত হলেও সেখানে খাগড়াছড়ি দিয়ে যেতে হয়।

  • বাঘাইহাট আর্মি এসকর্ট: সাজেক যাওয়ার পথে বাঘাইহাট আর্মি ক্যাম্পে পর্যটকদের নাম জমা দিতে হয়। প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে (সকাল ও দুপুর) আর্মি পাহারায় বা এসকর্টের মাধ্যমে গাড়িগুলো সাজেকে প্রবেশ করে। এই সময়ের বাইরে একা যাতায়াত করা যায় না।

​৩. রাঙামাটির দুর্গম অঞ্চল

​রাঙামাটি শহরের আশেপাশে অনুমতি না লাগলেও বিলাইছড়ি বা জুরাছড়ির মতো দুর্গম এলাকায় যেতে হলে স্থানীয় প্রশাসনের অনুমতি এবং নৌকা বা যাতায়াতের বিস্তারিত তথ্য প্রদান করতে হয়।

​গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর (FAQ)

প্রশ্ন ১: পাহাড়ে নাম নিবন্ধনের সময় এনআইডি (NID) কার্ডের কতটি ফটোকপি সাথে রাখা উচিত এবং কেন?

উত্তর: পাহাড়ে ভ্রমণে গেলে অন্তত ১০-১২ কপি এনআইডি কার্ডের ফটোকপি সাথে রাখা উচিত। এর কারণ হলো প্রতিটি উপজেলায় এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ চেকপোস্টে (যেমন আর্মি ক্যাম্প বা বিজিবি পোস্ট) আপনাকে এক কপি করে ফটোকপি জমা দিতে হবে। অনেক সময় একই রুটে একাধিক ক্যাম্পে নাম নিবন্ধন করার প্রয়োজন পড়ে। ফটোকপি না থাকলে দুর্গম পাহাড়ে ফটোকপির দোকান পাওয়া অসম্ভব হয়ে দাঁড়াবে, ফলে আপনাকে চেকপোস্ট থেকেই ফিরে আসতে হতে পারে। এছাড়া সাথে পাসপোর্টের কভার পেজ বা স্টুডেন্ট আইডি কার্ডের ফটোকপি রাখাও বুদ্ধিমানের কাজ। এই তথ্যগুলো প্রশাসনের কাছে থাকলে কোনো দুর্ঘটনা বা নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় উদ্ধার অভিযান চালানো সহজ হয়।

প্রশ্ন ২: পাহাড়ে গাইড ছাড়া অনুমতি পাওয়ার কোনো উপায় আছে কি? গাইড নিয়োগ কেন বাধ্যতামূলক?

উত্তর: বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের বিশেষ করে বান্দরবানের রুমা, থানচি এবং রোয়াংছড়ি উপজেলায় গাইড ছাড়া প্রশাসনিক অনুমতি পাওয়া প্রায় অসম্ভব। প্রশাসন থেকে গাইড নিয়োগ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে মূলত পর্যটকদের নিরাপত্তার স্বার্থে। দুর্গম পাহাড়ি পথে বা জঙ্গলে পথ হারানো বা বন্যপ্রাণীর কবলে পড়ার ঝুঁকি থাকে। গাইডরা স্থানীয় ভাষা ও ভূপ্রকৃতি সম্পর্কে অভিজ্ঞ হন এবং তারা আর্মি বা বিজিবি ক্যাম্পের কর্মকর্তাদের সাথে সমন্বয় করতে পারেন। এছাড়া গাইডরা স্থানীয় গাইড সমিতির মাধ্যমে নিবন্ধিত থাকেন, যার ফলে কোনো অঘটন ঘটলে তার দায়ভার গাইড বা সমিতি গ্রহণ করে। তাই নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক নিয়ম রক্ষায় গাইড নেওয়া অপরিহার্য।

প্রশ্ন ৩: বিদেশি পর্যটকদের (Foreigners) জন্য পাহাড়ে ভ্রমণের অনুমতি প্রক্রিয়া দেশি পর্যটকদের চেয়ে কীভাবে আলাদা?

উত্তর: বিদেশি পর্যটকদের জন্য পার্বত্য চট্টগ্রামে ভ্রমণের নিয়ম অনেক বেশি কড়াকড়ি। তাদের পাহাড়ে যাওয়ার অন্তত এক মাস আগে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (Ministry of Home Affairs) থেকে বিশেষ অনাপত্তিপত্র বা পারমিশন নিতে হয়। পাহাড়ে প্রবেশের সময় তাদের ভিসা, পাসপোর্টের কপি এবং স্থানীয় একজন এজেন্টের তথ্য জমা দিতে হয়। এছাড়া অনেক সময় নিরাপত্তার স্বার্থে বিদেশি পর্যটকদের সাথে একজন বিশেষ গাইড বা পুলিশ এসকর্ট বাধ্যতামূলক করা হয়। কিছু নির্দিষ্ট সংবেদনশীল এলাকায় বিদেশিদের প্রবেশাধিকার একদমই নেই। তাই কোনো বিদেশি বন্ধুকে সাথে নিয়ে পাহাড়ে যাওয়ার আগে অবশ্যই বর্তমান সরকারি নির্দেশনাগুলো চেক করে নেওয়া উচিত।

প্রশ্ন ৪: বর্তমানে বান্দরবানের কিছু উপজেলায় (যেমন রুমা বা রোয়াংছড়ি) পর্যটন নিষিদ্ধ থাকে কেন? যাওয়ার আগে কীভাবে জানবেন?

উত্তর: পাহাড়ে মাঝেমধ্যেই নিরাপত্তা বাহিনীর বিশেষ অভিযান (Joint Operation) পরিচালিত হয়। যখন কোনো এলাকায় বিচ্ছিন্নতাবাদী গ্রুপের তৎপরতা বাড়ে বা নিরাপত্তা ঝুঁকি দেখা দেয়, তখন স্থানীয় জেলা প্রশাসন ওই নির্দিষ্ট উপজেলাগুলোতে পর্যটক প্রবেশ সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয়। এই তথ্যগুলো জানার সেরা উপায় হলো বান্দরবান জেলা প্রশাসনের ওয়েবসাইট ভিজিট করা অথবা বান্দরবান শহরের ট্যুরিস্ট পুলিশ বা স্থানীয় হোটেল মালিকদের ফোন করে বর্তমান পরিস্থিতি জেনে নেওয়া। কোনো জায়গায় যাওয়ার আগে 'ব্যান' বা নিষেধাজ্ঞা আছে কি না তা নিশ্চিত না হয়ে রওনা দেওয়া একদমই উচিত নয়।

প্রশ্ন ৫: সাজেক ভ্যালিতে যাওয়ার সময় 'আর্মি এসকর্ট' মিস করলে কি অন্য কোনোভাবে যাওয়ার অনুমতি পাওয়া যায়?

উত্তর: না, সাজেক ভ্যালিতে যাওয়ার জন্য বাঘাইহাট আর্মি ক্যাম্প থেকে যে নির্ধারিত এসকর্ট (সকাল ১০:৩০ এবং দুপুর ২:৩০) দেওয়া হয়, সেটি মিস করলে আপনি ওই দিন আর সাজেকে প্রবেশ করতে পারবেন না। নিরাপত্তার খাতিরে সাধারণ পর্যটকদের এসকর্ট ছাড়া একা যেতে দেওয়া হয় না। যদি আপনি দেরি করে পৌঁছান, তবে আপনাকে পরের দিনের এসকর্টের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। তবে খুব জরুরি প্রয়োজনে বা অফিশিয়াল কাজে যারা যান, তাদের বিশেষ পাসের ব্যবস্থা থাকতে পারে, যা সাধারণ পর্যটকদের জন্য প্রযোজ্য নয়। তাই সময়মতো বাঘাইহাট ক্যাম্পে পৌঁছানো একটি সফল সাজেক ট্যুরের প্রধান শর্ত।

​পরিশেষে বলা যায়, পাহাড় ভ্রমণ যেমন রোমাঞ্চকর, তেমনি দায়িত্বশীলতারও পরিচয়। "পাহাড়ে গেলে অনুমতি লাগে কোথায়" এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর জানা থাকলে আপনি শুধু একটি মসৃণ ট্যুরই নিশ্চিত করবেন না, বরং প্রশাসনের কাজেও সহায়তা করবেন। মনে রাখবেন, পাহাড়ের এই কঠোর নিয়মগুলো কোনো বাধা নয়, বরং আপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি মাধ্যম। পার্বত্য চট্টগ্রামের ভূ-প্রকৃতি সমতলের মতো নয়; এখানে প্রতি পদক্ষেপে ঝুঁকি থাকতে পারে। তাই প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে চলা এবং সঠিক জায়গায় নাম নিবন্ধন করা একজন সচেতন পর্যটকের প্রধান বৈশিষ্ট্য।

​আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে আমি বলতে পারি, আপনি যখন চেকপোস্টে হাসিমুখে সহযোগিতা করবেন এবং নিয়ম মেনে তথ্য দেবেন, তখন পাহাড়ের মানুষেরা এবং সেখানে দায়িত্বরত জওয়ানরাও আপনাকে আপন করে নেবে। অনেক পর্যটক বিরক্তি প্রকাশ করেন যে কেন বারবার এনআইডি কার্ডের কপি দিতে হয় বা কেন ক্যাম্পে নাম লেখাতে হয়। কিন্তু আপনি যখন কোনো দুর্গম পাহাড়ে পথ হারাবেন বা অসুস্থ হবেন, তখন এই একটি নিবন্ধনই আপনার জীবন বাঁচাতে পারে। প্রশাসন জানে আপনি ওই ট্রেইলে আছেন, তাই তারা প্রয়োজনে দ্রুত উদ্ধারকারী দল পাঠাতে পারবে। ​অনুমতি প্রক্রিয়ার পাশাপাশি পাহাড়ের পরিবেশ ও সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা জরুরি। কোনো আদিবাসী গ্রামে প্রবেশ করার আগে তাদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষা করুন এবং ধর্মীয় স্থানে অনুমতি ছাড়া ছবি তুলবেন না। পাহাড়ি এলাকাগুলোতে মদ্যপান বা মাদকদ্রব্য সেবনের বিষয়ে প্রশাসন অত্যন্ত কঠোর, তাই এ ধরণের কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থাকুন। যত্রতত্র প্লাস্টিক বা ময়লা ফেলে পাহাড়ের সজীবতা নষ্ট করবেন না। আপনি পাহাড়ে যাচ্ছেন প্রকৃতির প্রশান্তি নিতে, তাই সেই প্রকৃতিকে তার মতো থাকতে দেওয়াই হবে আপনার শ্রেষ্ঠ উপহার।

বর্তমানে অনলাইনেও অনেক ট্রাভেল গ্রুপ থাকে যেখানে বর্তমান পারমিশন স্ট্যাটাস আপডেট করা হয়, যাওয়ার আগে সেগুলো ফলো করুন। বান্দরবানের মেঘ, সাজেকের নীল আকাশ আর রাঙামাটির লেক আপনার অপেক্ষায় আছে। সঠিক প্রস্তুতি আর প্রশাসনিক ক্লিয়ারেন্স নিয়ে আপনি যখন পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়াবেন, তখন সেই সার্থকতা হবে অনন্য।

​আপনার পাহাড় সফর হোক ঝঞ্জাটমুক্ত এবং নিরাপদ। এই সবুজ পাহাড়ে আপনার প্রতিটি পদক্ষেপ হোক সাহসী এবং প্রতিটি স্মৃতি হোক গর্বের। আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে অ্যাডভেঞ্চার উপভোগ করাই হলো একজন প্রকৃত ট্রাভেলার বা অভিযাত্রীর পরিচয়। 

NextGen Digital... Welcome to WhatsApp chat
Howdy! How can we help you today?
Type here...